info@desherkhabor24.com

01923-772433

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

01923-772433

মাদারীপুরে দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে আরো দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ১৩

Save
Link Copied!
মাদারীপুরে দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে আরো দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ১৩

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুর সদর উপজেলায় দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ১৩ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে টেকেরহাট ও ঘটকচর এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে দুপুরে শিবচর উপজেলায় কাভার্ডভ্যান চাপায় ব্যাটারি চালিত ভ্যান যাত্রী চাচি ও ভাতিজি নিহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত রয়েছে আরো ৩ জন।

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল ৫ টার দিকে মাদারীপুর-শরীয়তপুর সড়কের টেকেরহাট মঠের বাজারের মাঝামাঝি এলাকায় শরীয়তপুর থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে মাদারীপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া শরীয়তপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং এতে থাকা ৬ যাত্রী গুরুতর আহত হন।

আহতরা হলেন আলামিন কাজী (২৮), রুনা আক্তার (২৭), মিম (১০), জামিলা (৭), মফিজুল মোল্লা (৫০) ও আশিক বেপারী (২২)। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক রুনা আক্তার ও মিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। অন্যদের হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর প্রায় আধা ঘণ্টা পর, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটকচর চারঘাটা এলাকায় একটি মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আরও ৭ জন আহত হন।

আহতরা হলেন মোটরসাইকেলের আরোহী তামিম মাতুব্বর (১৮), আশিকুল (২০) ও ইমন ফকির (২০) এবং অটোরিকশার যাত্রী নিপা আক্তার (৩০), নুসরাত (১১), জুবায়ের (৭) ও আমেনা (৩)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, "পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।"




Comments (0)

Please sign in to leave a comment.

Sign In

No comments yet. Be the first to comment!