01923-772433

info@desherkhabor24.com

২১ আগস্ট এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদন শুরু

Save
Link Copied!
২১ আগস্ট এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আগামী ২১ আগস্ট বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত। এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মাউশির মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান, প্রদর্শক, ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জারি করা ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুসারে টেলিটকের সহায়তায় তৈরি সফটওয়্যারের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

যেভাবে আবেদন করতে হবে:

১। বদলিতে আগ্রহী শিক্ষকরা নিজেদের মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আবেদন করতে পারবেন।

২। একজন শিক্ষক পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেছে নেয়ার সুযোগ পাবেন।

৩। আবেদন পাওয়ার পর বদলি নীতিমালা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। এরপর কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বদলিভিত্তিক পদায়নের আদেশ জারি করা হবে।

যেখানে বদলির আবেদন করা যাবে:

১। সাধারণভাবে শিক্ষককে চাকরির আবেদনে উল্লেখ করা নিজ জেলার শূন্য পদের বিপরীতে বদলির জন্য আবেদন করতে হবে।

২। নিজ জেলায় পদ খালি না থাকলে নিজের বিভাগের অন্য যেকোনো জেলার শূন্য পদের জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

৩। এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা কর্মস্থলের জেলাতেও বদলির আবেদন করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীকে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান অথবা এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হতে হবে।

৪। স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল-সংক্রান্ত তথ্য সফটওয়্যারে ভুলভাবে দেওয়া হলে এর দায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষককে নিতে হবে।

বদলির জন্য যেসব যোগ্যতা লাগবে:

১। চাকরিতে প্রথম যোগদানের পর অন্তত দুই বছর পূর্ণ হলে একজন শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

২। একইভাবে বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পরও কমপক্ষে দুই বছর সেখানে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এরপর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করা যাবে।

৩। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে করা আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

তবে আবেদন করলেই বদলি পাওয়ার অধিকার তৈরি হবে না।

৪। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত হবে। বদলি হওয়া শিক্ষক কোনো ধরনের টিএ/ডিএ পাবেন না।

২০ দিনের মধ্যে দুই ধাপের প্রক্রিয়া:

বদলির আদেশ জারির পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ১০ দিনের মধ্যে শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে। এরপর অবমুক্ত হওয়ার পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অবমুক্তি থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান পর্যন্ত সময়কে কর্মকাল হিসেবে গণনা করা হবে।

যারা আবেদন করতে পারবেন না:

১। কোনো শিক্ষকের ক্ষেত্রে স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত কিংবা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।

২। এছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট আদেশ পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করেছে।

৩। বিজ্ঞপ্তিটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Comments (0)

Please sign in to leave a comment.

Sign In

No comments yet. Be the first to comment!