info@desherkhabor24.com

01923-772433

অবৈধ বালু উত্তোলনে বাঁধা দেয়ায় ইউপি সদস্যকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম

Save
Link Copied!
অবৈধ বালু উত্তোলনে বাঁধা দেয়ায় ইউপি সদস্যকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুরে আড়িয়াল খাঁ নদ থেকে দীর্ঘ দিন যাবত অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে একটি প্রভাবশালী চক্র। সেই চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় মাদারীপুর সদরের পাঁচখোলা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার শাহ আলম সর্দারকে হাতুড়ি আর লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করেছে ওই চক্রের অন্যতম হোতা হাকিম বেপারী ও তার লোকজন। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ইউপি কার্যালয়ে আসলে শাহ আলম সর্দারকে ডেকে নিয়ে এঘটনা ঘটায়। আহতকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘ দিন ধরে আড়িয়াল খাঁ নদ থেকে সকাল থেকে দুপুর ও রাত থেকে ভোর পর্যন্ত অন্তত ১০ থেকে ১৫টি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে ব্যবসা করে আসছে রাস্তির সাবেক চেয়ারম্যান লতিফ বেপারীর ছোট ভাই হাকিম বেপারী ও তার লোকজন। ফলে নদীর দু’পাড়ে ব্যাপক ভাঙ্গনের মুখে পড়ে। ফলে গেলো ২১ সেপ্টেম্বর নদীরপাড়ে দুই ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করে। সেখানে ইউপি সদস্য শাহ আলম জোরালো বক্তব্য দিয়ে প্রতিবাদ করেন। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে হাকিম বেপারীসহ বালু ব্যবাসয়ীরা। শাহ আলম মঙ্গলবার সকালে পুরানবাজারের পাশে ইউনিয়নের অস্থায়ী কার্যালয়ে আসলে হামিক বেপারী তাকে ডেকে নিয়ে বাহিরে যায়। পরে হাকিম ও তার লোকজন শাহ আলমকে হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে বেদম পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। পরে স্থাণীয়রা উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনায় শুনে শত শত মানুষ সদর হাসপাতালে জড়ো হয়। সেখানে তারা প্রতিবাদ করে দোষীর বিচার দাবী করেন। পরে পুলিশ হাসপাতালে এসে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে আনে।

এব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি অবগতি হয়েছি। হাসপাতালের পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। ভূক্তভোগি পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দীর্ঘ দিন ধরে বালু উত্তোলনের বিষয়টি অবগত আছি, প্রতিকারের ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ঘটনার পর থেকে হাকিম বেপারীকে পাওয়া যায়নি। তাকে একাধিকার বার ফোনে চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। থানায় ভূক্তভোগির পরিবার অভিযোগ দায়ের করবে।

Comments (0)

Please sign in to leave a comment.

Sign In

No comments yet. Be the first to comment!