01923-772433

[email protected]

ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ধান খেতের পাশে

Save
Link Copied!
ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ধান খেতের পাশে

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধান খেতের পাশে রাস্তা থেকে মো.নাঈম (১৪) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে তারা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বাগ্যা গ্রামের এবায়েদ উল্যার বাড়ি সংলগ্ন ধান খেতের পাশে রাস্তা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাঈম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ইব্রাহীম খলিলের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে সুবর্ণচরে নানার বাড়িতে থেকে চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত।
স্থানীয়রা জানায়, নাঈম বুলু নেতা সমাজের এবায়েদ উল্যার মেয়ের ঘরের নাতি। তার মা-বাবার প্রায় তিন বছর আগে বিচ্ছেদ হয় যায়। এরপর থেকে নাঈম নানার বাড়িতে থেকে উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসায় নাজেরা বিভাগে পড়া লেখা করত।
নিহেতর নানা এবায়েদ উল্যাহ বলেন, শনিবার নাঈম মাদ্রাসা থেকে চলে আসে। পরে তার বাবা আমাদের ফোন দিয়ে তার ছেলের অবস্থান জানায়। পরে তার নানী আমেনা খাতুন ওই জায়গায় গিয়ে নাতীকে বাড়িতে নিয়ে আসে। সোমবার রাতের খাবার খেয়ে নাঈম ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে ফজরের নামাজের সময় নামাজ পড়তে উঠলে দেখি ঘরের দরজা খোলা, সে শয়ন কক্ষে নেই। সকাল ৭টার দিকে আমি সার আনার জন্য যাওয়ার পথে আমার বাড়ি থেকে ১০০ গজ দূরে ধান খেতের পাশে রাস্তার ওপর তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি।
এবায়েদ উল্যাহ অভিযোগ করে বলেন, ২০-২৫ দিন আগে আমার মেয়ের নতুন করে বিয়ে হয়। এরপর নাঈমের বাবা ইব্রাহীম খলিল তার মা সুমি আক্তার নানা ভাবে হুমকি ধমকি দেয়। কিভাবে ছেলের আয় রোজগার খায় দেখে নেবে বলে হুমকি দেয়। নিহতের মা তার বাবাকে সন্দেহ করছে। সকালে ছেলের মৃত্যুর খবর দেওয়ার জন্য তাকে অনেকবার ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। পরে নিজে ফোন করলে তাকে ছেলের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। এরপর দুপুর ১টা পর্যন্ত ছেলের মরদেহ দেখতে আসেনি বাবা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার নিহতের বাবা ইব্রাহীম খলিলের মুঠোফোনে কল করা হলেও সংযোগ পওয়া যায়নি।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার বলেন, খবর পেয়ে আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। নিহতের থুতনির নিচে চিলা দাগ রয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানা যাবে। নিহেতর বাবার সাথে কথা হয়েছে তিনি চট্রগ্রাম অথবা ফেনীতে আছেন। তিনি আসছেন।

Comments (0)

Please sign in to leave a comment.

Sign In

No comments yet. Be the first to comment!