info@desherkhabor24.com

01923-772433

ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এর সংবাদ সম্মেলন

Save
Link Copied!
ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক  এর সংবাদ সম্মেলন
মাহবুব পিয়াল, ফরিদপুর:

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে (ফমেক) ছাত্র রাজনীতি বন্ধ প্রসঙ্গে সম্প্রতি জেলা বিএনপি এক নেতার বক্তব্য ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে নিয়ে ওই বিএনপি নেতা সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংবাদ সম্মেলনে কলেজটির সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারের কার্যক্রমকে গুপ্তসংগঠনের কার্যক্রম অধ্যক্ষকে আওয়ামী লীগের দোসর বলে আখ্যা দিয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল এছাড়া কলেজটিতে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হলে নিজেদের অস্তিত্ব বিলীন হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন

মঙ্গলবার দুপুরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল এর আগে গত ১১ জানুয়ারি কলেজের হলরুমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ শাখা  আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল  ওই বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন এবং কলেজে ছাত্ররাজনীতি  বন্ধের সমালোচনা করে কলেজ প্রশাসনকে হুশিয়ারী করেন

এ সময় তিনি ছাত্র রাজনীতি চালু করার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘যখন সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ছাত্র রাজনীতির চর্চা শুরু হয়ে গেছে, নির্বাচন হচ্ছে তখন কেন ফরিদপুর মেডিকেলে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করে রাখা হয়েছে কোন ইস্যুতে এখানে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা হয়েছে- আমি এই প্রশাসনের কাছে জানতে চাই অতিস্বত্ত্বর গণতন্ত্রকে চর্চা করার জন্যে এখানে ছাত্র রাজনীতি ওপেন করে দেয়া হোক অন্যথায় একাডেমিক কাউন্সিল রদবদল করা হোক মেডিকেল কলেজ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের, কোনো অপশক্তির না

তার এই বক্তব্য ভুল ব্যাখ্যা ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন এবং তার জন্য ক্ষমা প্রার্থণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন- ‘ওই দোয়া অনুষ্ঠান শুরুর বেশ কিছুক্ষণ সময় পার হয়ে গেলেও হলরুম বেশিরভাগ খালি। এরপর নেতৃবৃন্দ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলি- এখানে জাতীয়তাবাদী দলের অসংখ্য সমর্থক রয়েছে তাহলে তাঁরা কোথায়। তখন জানতে পারি, এখানে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ। ছাত্র রাজনীতি যদি বন্ধও থাকে তাহলে এখানেতো ছাত্র রাজনীতির বিষয় নেই। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শোক রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়েছে। একটি শোক দিবসে ছাত্ররা কেন আসল না। তখন আমি জানতে পারি- হুমকি-ধমকি আছে, মেডিকেল কলেজে থাকতে হলে বিএনপি সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মসূচিতে থাকা যাবে না। যার প্রেক্ষাপটে আমি কথা বলেছি, আমার কথায় ভুলও হতে পারে, মানুষ মাত্রই ভুল।

সময় ড্যাবের জেলা শাখার আহবায়ক ডা: মোস্তাফিজুর রহমান শামীম, জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন মিঠু সহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন

Comments (0)

Please sign in to leave a comment.

Sign In

No comments yet. Be the first to comment!