info@desherkhabor24.com

01923-772433

যশোর বোর্ডে বৃত্তি পেল ৫ হাজার ২২৩ শিক্ষার্থী, শীর্ষে যশোর জেলা ও জিলা স্কুল

Save
Link Copied!
যশোর বোর্ডে বৃত্তি পেল ৫ হাজার ২২৩ শিক্ষার্থী, শীর্ষে যশোর জেলা ও জিলা স্কুল

শাহারুল ইসলাম ফারদিন, যশোর

২০২৫ সালের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। যশোর শিক্ষা বোর্ডে এ বছর মোট ৫ হাজার ২২৩ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১ হাজার ৬৬২ এবং সাধারণ গ্রেডে ৩ হাজার ৫৬১ জন বৃত্তি পেয়েছে। ফলাফলে সামগ্রিকভাবে এগিয়ে রয়েছে যশোর জেলা। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তালিকায় শীর্ষে আছে যশোর জিলা স্কুল। বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যশোর বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩৫ হাজার ৬২৪ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্য থেকে মেধার ভিত্তিতে ৫ হাজার ২২৩ জনকে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, যশোর জেলায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩১৫ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩৩৮ এবং সাধারণ গ্রেডে ৯৭৭ জন। খুলনায় মোট ৯৪১ জন বৃত্তি অর্জন করেছে, ট্যালেন্টপুলে ৩০২ ও সাধারণ গ্রেডে ৬৩৯ জন। কুষ্টিয়ায় বৃত্তি পেয়েছে ৬৪৬ জন, সাতক্ষীরায় ৬০৮, চুয়াডাঙ্গায় ৫৯৩, ঝিনাইদহে ৪৭৭, বাগেরহাটে ৩৯৭, নড়াইলে ২৬০, মেহেরপুরে ২৩৮ এবং মাগুরায় ২৩৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। প্রতিটি জেলাতেই ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেড দুই বিভাগেই শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পেয়েছে।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে যশোর জিলা স্কুল সবার ওপরে রয়েছে। এ স্কুল থেকে ৮৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৮ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৪৬ জন সাধারণ গ্রেডে নির্বাচিত হয়েছে। সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৪ জন ছাত্রী বৃত্তি পেয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জন ট্যালেন্টপুলে ও ৪৭ জন সাধারণ গ্রেডে।

পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৪৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে, ট্যালেন্টপুলে ২৮ ও সাধারণ গ্রেডে ১৬ জন। কালেক্টরেট স্কুলে ২১ জন, সখিনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৮ জন এবং যশোর শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৭ জন বৃত্তি অর্জন করেছে। বাহাদুরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২ জন এবং নিউটাউন বাদশাহ ফয়সল স্কুল থেকে ২ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে বোঝা যাচ্ছে, যশোর অঞ্চলে শিক্ষার মান ও প্রতিযোগিতা দুইই বৃদ্ধি পেয়েছে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের এ সাফল্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়, শিক্ষক ও অভিভাবকদের জন্য গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে।

Comments (0)

Please sign in to leave a comment.

Sign In

No comments yet. Be the first to comment!