info@desherkhabor24.com

01923-772433

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের ৪০ শতাংশ শিক্ষক রয়েছেন: উপাচার্য

Save
Link Copied!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের ৪০ শতাংশ শিক্ষক রয়েছেন: উপাচার্য

ঢাবি প্রতিনিধি:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জাতীয় দায় ও দায়িত্ব নিয়ে চলতে হয়। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারপরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা-গবেষণার ক্ষেত্রে দেশ-বিদেশে ভালো অবস্থান ধরে রেখেছে। আমাদের আন্তর্জাতিক মানের ৪০ শতাংশ শিক্ষক রয়েছেন। যদিও আমরা শিক্ষকদের গবেষণার জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ দিতে পারি না। প্রয়োজনীয় সমর্থন পেলে বাকিরাও নিজেদের আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তুলতে পারবেন।

আজ ২৯ এপ্রিল মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের কনফারেন্স কক্ষে ‘সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি রিচার্স পার্টনারশীপ ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাপান সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এজেন্সি (জেএসটি) ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)‘র অর্থায়নে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় পানির গুনগত মান তদারকি এবং বিশুদ্ধকরণ টেকনোলজি নিয়ে শীঘ্রই একটি প্রজেক্ট শুরু হতে যাচ্ছে। সেটিকে সামনে রেখে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা। সভাপতিত্ব করেন মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও প্রজেক্টের বাংলাদেশ অংশের প্রধান গবেষক (পিআই) ড. আনোয়ার হোসেন। বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের এহিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও প্রজেক্টের জাপান অংশের প্রধান গবেষক (পিআই) ড. কোজো ওতানাবি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান আরও বলেন, জাপান আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু। এই বন্ধুত্ব রাজনীতির উর্ধ্বে। প্রজেক্টটি সমাজে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। মানুষ উপকৃত হবে। এই ধরনের প্রজেক্টকে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই করতে চাই আমরা। এক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দিন শেষে সামাজিক প্রতিষ্ঠান। আমাদের সমাজের জন্য কাজ করতে হয়। নিজেদের এখন দেশ ও সমাজের জন্য গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক সুযোগ রয়েছে। সেগুলোকে কাজে লাগাতে হবে।

উল্লেখ্য, এই প্রজেক্টের মেয়াদ পাঁচ বছর। প্রায়  ৫০০ মিলিয়ন ইয়েনের (জাপানি মুদ্রা) প্রজেক্টটি ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২০৩১ সালের মার্চ পর্যন্ত চলবে। ২০২৫ সালের মে মাস থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রজেক্টটি প্রবেশনারি পিরিয়ড হিসেবে থাকবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের এহিম বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের পরিবেশ অধিদপ্তর, জাপানের সিজুকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইয়ামাগাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল স্ট্র্যাটেজিস প্রজেক্টটি বাস্তবায়ন করবে।

Comments (0)

Please sign in to leave a comment.

Sign In

No comments yet. Be the first to comment!