01923-772433

[email protected]

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Save
Link Copied!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঢাবি প্রতিনিধি:

‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা আজ ২৫ মার্চ ২০২৫ মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে এই আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স এসোসিয়েশন, তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি, চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শহিদ পরিবার কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন। সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, অন্যায্যতা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে জেগে উঠার আখ্যান আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। এর ধারাবাহিকতায় ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও ২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাগুলোর মূল সুর এক। ন্যায্যতার পক্ষে থাকা। তিনি আরও বলেন, দেশ স্বাধীন না হলে আমরা কোন পদ-পদবী, মর্যাদা কিছুই পেতাম না। কি পরিমাণ আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি দেশ পেয়েছি, জাতি হিসেবে তা সকলের জানা প্রয়োজন। ২৪-এর ছাত্র-জনতা বৈষম্যের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে বলেই আমরা এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব আন্দোলনের সূতিকাগার উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, একারণে আমাদের দায়িত্বও বেশি। রক্তের দায় আছে, রক্তের ঋণ আছে। এই কথাগুলো স্মরণ রাখা জরুরি। আজ এবং আগামীকাল পুরো জাতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দু‘টি দিন। দিবসগুলোকে স্মরণ করতে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আগামীকাল ২৬ মার্চ ২০২৫ সকাল ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কেন্দ্রীয় ভবন ও আবাসিক হলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অ্যালামনাইবৃন্দ সকাল ৬টায় স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে জমায়েত হবেন। সকাল ৬টা ১৫মিনিটে উপাচার্যের নেতৃত্বে জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে যাত্রা করা হবে এবং পরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। একই দিন বা’দ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিআ’য় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হবে। অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হবে। এছাড়া, কার্জন হল ও টিএসসিতে আলোকসজ্জা করা হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারীদের সন্তানদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হবে।

Comments (0)

Please sign in to leave a comment.

Sign In

No comments yet. Be the first to comment!